+880 1728-338765
মাছ-মাংস খেলেই পেটে সমস্যা হতো, টক ঢেকুর হতো, খাবারে রুচি ছিলো না, টয়লেট ক্লিয়ার হতো না।
গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট খেতে খেতে একসময় আলসার হয়ে যায়।
বিভিন্ন ডাক্তার দেখিয়ে, টেস্ট করে, ওষুধ খেয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করেও সমাধান হয়নি।
শেষমেশ আল্লাহর রহমতে ত্রিফলা মিক্স খেয়ে অল্প কয়েকদিনেই গ্যাস, বুক জ্বালা, পেট ফাঁপা, টক ঢেকুর কমে যায় ও পেট ক্লিয়ার হয়।
“গত ২ বছর ধরে আমাকে ১টিও গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হয়নি- আলহামদুলিল্লাহ্।”



খাওয়া শুরুর ৩ দিনের মধ্যে-
➤ বুক জ্বালা কমে যাবে
➤ টক ঢেকুর বন্ধ হবে
➤ পেট থাকবে হালকা
➤ টয়লেটে গেলেই পেট পরিষ্কার হবে
➤ মাছ-মাংস খেতে পারবেন-
– ইনশাআল্লাহ্।
ত্রিফলা মিক্স:
১ থেকে ২ চা-চামচ দুই বেলা খাবার পর আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে।
নিরাময় ভেষজ মিক্স:
১ চা-চামচ নিরাময় ভেষজ মিক্স ২ বেলা খাবার পর আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে।
সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়ে খাওয়া যাবে, তবে হাল্কা গরম (উষ্ণ) পানি দিয়ে খেলে তুলনামূলক ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়।
[প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি হওয়ায় এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই এটি সারা বছরই খাওয়া যায়। তবে এগুলো ওষুধের মতো সবসময় না খেলেও চলে। গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ দেখা দিলে নিয়ম অনুযায়ী খেলেই ভালো রেজাল্ট পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ্।]
ত্রিফলা মিক্স খাওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যেই সাধারণতঃ গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। প্রথম ৩-৪ দিন নিয়মিত খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আর দেখা না দিলে নিয়মিত ত্রিফলা মিক্স না খেয়েও সুস্থ থাকা যায়। পরবর্তীতে গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ দেখা দিলে আবার ১-২ দিন ত্রিফলা মিক্স খেতে হবে।
গ্যাস্ট্রিক একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার ফল। পৃথিবীর কোনো ওষুধে গ্যাস্ট্রিক স্থায়ীভাবে নিরাময় হয় না।
খাদ্যাভ্যাস ও লাইফ স্টাইলের অসামঞ্জস্যতার কারণে সাধারণতঃ গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে।
তবে ত্রিফলা মিক্স ও হেলদি লাইফস্টাইলের সমন্বয়ে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ্।
কারো ক্ষেত্রে ত্রিফলা মিক্স এক ফাইল খেলেই দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রে আমরা কমপক্ষে ২ ফাইল নেয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এতে করে হুট করে সমস্যা দেখা দিলে যাতে ত্রিফলা মিক্স এর অভাবে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন না পড়ে।
ত্রিফলা মিক্স ও ন্যাচারাল ভেষজ মিক্স সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি প্রথম ৩-৪ দিন নিয়মিত খাওয়ার পর আর রেগুলার না খেলেও গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তাই ১০০ গ্রামের একটি প্যাক গ্যাস্ট্রিকের মাত্রার উপর নির্ভর করে ১ থেকে ২ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
ত্রিফলা মিক্স খাওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যেই সাধারণতঃ গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। প্রথম ২-৩ দিন নিয়মিত খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আর দেখা না দিলে নিয়মিত ত্রিফলা মিক্স খাওয়ার প্রয়োজন নেই। পরবর্তীতে গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ দেখা দিলে আবার ত্রিফলা মিক্স খেতে হবে।
গ্যাস্ট্রিক একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার ফল। পৃথিবীর কোনো ওষুধে গ্যাস্ট্রিক স্থায়ীভাবে নিরাময় হয় না।
খাদ্যাভ্যাস ও লাইফ স্টাইলের অসামঞ্জস্যতার কারণে সাধারণতঃ গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে।
নিয়মিত ত্রিফলা মিক্স খাওয়ার ফলে প্রাকৃতিক উপায়ে কোনো ওষুধ ছাড়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
ন্যাচারাল ত্রিফলা মিক্স + নিরাময় ভেষজ মিক্স এর প্যাকেজটি গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের জন্য অসাধারণ এক কার্যকর ন্যাচারাল সমাধান।
১ সপ্তাহ খাওয়ার পর ২ দিন করে বাদ দিয়ে- এই নিয়মে ১-২ মাস নিয়মিত সেবন করলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের জন্য আপনাকে আর ১টিও ওষুধ খেতে হবে না, ইনশাআল্লাহ্।
অনেক আলসারের রোগী এন্ডোস্কপি ও অন্যান্য টেস্ট করে অনেক চিকিৎসার পর সুস্থ না হয়ে অবশেষে আমাদের ভেষজ মিক্স খেয়ে সুস্থ আছেন, আলহামদুলিল্লাহ্।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হাকিম দ্বারা প্রস্তুতকৃত আমাদের এই ন্যাচারাল ভেষজ মিক্স গ্রহণ করে এ পর্যন্ত ১০,০০০ এর বেশি মানুষ আলহামদুলিল্লাহ্ সুস্থ জীবন যাপন করছেন, এবং তাঁদের বেশিরভাগেরই আলসার ও গ্যাস্ট্রিকের জন্য আর কোনো ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
VITALIX এর ভেষজ মিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এর প্রতিটি উপাদান শতভাগ প্রাকৃতিক। এর কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই, ইনশাআল্লাহ্।
আলসারের জন্য যে কোনো চিকিৎসা গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই একবার VITALIX এর ন্যাচারাল ভেষজ মিক্স আপনার ট্রাই করা উচিৎ।
নিয়ম অনুযায়ী এই ভেষজ মিক্স খেলে অল্প কয়েকদিনেই গ্যাস্ট্রিক ও আলসারজনিত সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব, ইনশাআল্লাহ্।
পেটে অত্যধিক গ্যাস জমা, পেটে ভুটভাট আওয়াজ হওয়া, বুক জ্বালা, বদহজম, খাওয়ার সাথে সাথে পায়খানার বেগ আসা, পায়খানা ক্লিয়ার না হওয়া, পেটে ব্যথা হওয়া, মাঝেমধ্যে পায়খানার প্রেশার আসলে সহ্য করতে না পারা, পেটব্যথার পাশাপাশি পাতলা পায়খানা হওয়া, ইত্যাদি আইবিএস সমস্যার সাধারণ লক্ষণ।
এ ক্ষেত্রে রোগীকে ফাস্ট ফুড, মসুর ডাল, মটর ডাল, ছোলা ডাল, সব ধরনের দুধ ও দুধজাতীয় পণ্য প্রভৃতি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। এসবের মধ্যে কী কী খাবার আইবিএস সমস্যা বাড়িয়ে দেয়, সেটি রোগীকেই খেয়াল করে শনাক্ত করতে হবে এবং সেটা খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।
ওষুধের মাধ্যমে আইবিএস সহজে নিরাময় হয় না। খাবার ও জীবন যাপন প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করাই আইবিএস এর প্রধান চিকিৎসা। সেই সাথে গ্যাস্ট্রিক যেনো না বাড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
ত্রিফলা মিক্স গ্যাস্ট্রিকের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। তাই আইবিএস এর রোগী খাবারের নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি যদি নিয়ম অনুযায়ী ত্রিফলা মিক্স খান, তাহলে এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
ত্রিফলা মিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এর প্রতিটি উপাদান শতভাগ প্রাকৃতিক।
আইবিএস এর জন্য যে কোনো চিকিৎসা গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই একবার ত্রিফলা মিক্স ট্রাই করা উচিৎ।
নিয়ম অনুযায়ী ত্রিফলা মিক্স খেলে অল্প কয়েকদিনেই আইবিএস সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ্।
ত্রিফলা মিক্সের প্রধান উপাদানঃ আমলকি, হরিতকি, বহেরা, বেলশুট, পিপুল, সোনাপাতা ও বিট লবণ। এছাড়াও অন্যান্য সহায়ক ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে, যার প্রত্যেকটিই প্রাকৃতিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও
নিরাময় ভেষজ মিক্সের প্রধান উপাদান: যষ্টি মধু, থানকুনি, আদা, মৌরি, জিরা। এছাড়াও অন্যান্য সহায়ক ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে, যার প্রত্যেকটিই প্রাকৃতিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন ন্যাচারাল ত্রিফলা মিক্স ও নিরাময় ভেষজ মিক্স নিচে উল্লেখিত সমস্যাগুলোর জন্য অত্যন্ত দারুণ ভাবে কাজ করে।
[গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে ন্যাচারাল এই প্রাকৃতিক সমাধান আপনার অবশ্যই একবার ট্রাই করা উচিৎ]
পৃথিবীর কোনো ওষুধে রোগ ১০০% সেরে যাবে এরকম কোনো গ্যারান্টি কোনো ডাক্তার বা কেউই দিতে পারে না।
ত্রিফলা মিক্স খেয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা পোড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, মুখে অরুচি ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ্, এবং বেশিরভাগ মানুষেরই এসব সমস্যার জন্য আর কোনো ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
বাজারে প্রচলিত যে কোনো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ এক নাগাড়ে নিয়মিত খাওয়ার পর সেটা আর কাজ করে না মানুষের শরীরে। তখন ওষুধের গ্রুপ চেঞ্জ করতে হয়, নতুবা বেশি পাওয়ারের ওষুধ খেতে হয়।
এবং এসব ওষুধের রয়েছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। দীর্ঘদিন এসব ওষুধ খেলে হাড়ক্ষয় সমস্যা, কিডনি সমস্যা, আলসার সহ ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
ত্রিফলা মিক্স সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করা, শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ নানাবিধ উপকার করে।
রোগ ব্যাধী নিরাময়ের একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ্।
তাই রোগ ১০০% সেরে যাবে, এই গ্যারান্টি কোনো মানুষের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। তবে এটি আপনার শরীরের কোনো ক্ষতি করবে না, কারণ এতে থাকা সব উপাদান ১০০ ভাগ প্রাকৃতিক এবং যুগ যুগ ধরে পরীক্ষিত ও প্রমাণিত।
কিন্তু আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারি যে- ত্রিফলা মিক্স খেয়ে বহু মানুষ তাঁদের শারীরিক এসকল সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
সুতরাং, আশা করি আপনিও আপনার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, ইনশাআল্লাহ্।
ত্রিফলা মিক্স খেয়ে যারা সুস্থ হয়েছেন এমন সম্মানিত কাস্টোমারদের রিভিউ ভিডিও দেখুন আমাদের ফেসবুক পেজে।
ত্রিফলা মিক্সের প্রধান উপাদানঃ আমলকি, হরিতকি, বহেরা, বেলশুট, পিপুল, সোনাপাতা ও বিট লবণ। এছাড়াও এতে অন্যান্য সহায়ক ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে, যার প্রত্যেকটিই প্রাকৃতিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
তাই ১ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ ত্রিফলা মিক্স খেতে পারবে। তবে ১ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুকে প্রতি বার সর্বোচ্চ হাফ চামচ করে খাওয়ানো যাবে।
ত্রিফলা মিক্সের প্রধান উপাদানঃ আমলকি, হরিতকি, বহেরা, বেলশুট, পিপুল, সোনাপাতা ও বিট লবণ। এছাড়াও অন্যান্য সহায়ক ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে, যার প্রত্যেকটিই প্রাকৃতিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
তবে গর্ভ ধারণের প্রথম ৬ মাস অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। ত্রিফলা মিক্সে থাকা বহেরা এই সময়ে গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গর্ভের ৬ মাসের পরে ত্রিফলা মিক্স তুলনামূলক নিরাপদ হলেও আমাদের পরামর্শ হলো- সন্তান জন্ম দানের আগ পর্যন্ত বিশেষ এই অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শের বাইরে কোনো চিকিৎসা গ্রহণ না করা।
তাই গর্ভকালীন এই বিশেষ সময়ে আমরা ত্রিফলা মিক্স খেতে নিরুৎসাহিত করে থাকি।
আমাদের অফিসঃ ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডের পাশে।
আমরা শহর বা গ্রামে সমগ্র বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্তে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারি মেথডে পণ্য হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
দুঃখিত, বর্তমানে আমাদের শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু আছে।
আপনি চাইলে দেশে আপনার পরিচিত কারো মাধ্যমে ডেলিভারি নিতে পারেন।
ধন্যবাদ।
আমাদের কোনো অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে না। হোম ডেলিভারি হিসেবে পণ্য হাতে পেয়ে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।
আমরা ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে Steadfast কুরিয়ারের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে পণ্য হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
ঢাকা ও তার আশে পাশে সাধারণত ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছে যায়, এছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে হোম ডেলিভারি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
ত্রিফলা মিক্স ও নিরাময় ভেষজ মিক্স এ ব্যবহৃত উপাদানগুলোর প্রাকৃতিক গুণাগুণ রক্ষার্থে কোনো কৃত্রিম উপাদান যোগ না করে এবং ফর্ম পরিবর্তন না করে সরাসরি গুঁড়া করে পাউডার আকারেই প্যাকেটজাত করা হয়। এতে করে এর গুণাগুণ থাকে অক্ষুণ্ণ, এবং এটি হয় অত্যন্ত কার্যকর।